করোনাকালীন সময়ে আত্মহত্যা বৃদ্ধির কারণ

জোবায়ের সাকিব

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৩:৩৬:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১ |

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা বাড়িতে অবস্থান করতে থাকে। করোনা ভাইরাস যখন বাংলাদেশে শনাক্ত হয় তখন শিক্ষার্থীরা ভেবেছিল তারা হয়তো কিছুদিন পরেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরবে।কিন্তু প্রায় ১ বছর হয়ে গেলেও তারা ফিরতে পারছেনা। এ সময়ের মাঝে অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে, আপন করে নিয়েছে মৃত্যুকে। শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার কারণ হিসেবে ওঠে এসেছে অর্থনৈতিক সমস্যা, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা, সেশনজটের ভয়, একাকীত্ব, পারিবারিক কলহ, প্রিয়জনের অন্য যায়গায় বিয়ে হয়ে যাওয়া, জীবনের প্রতি চরম ঘৃণা ইত্যাদি। করোনার এ ভয়াবহ সময়ে শিক্ষার্থীরা তাদের বন্ধু-বান্ধব হারিয়েছে, তৈরি হয়েছে ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব। কিন্তু তাতে হতাশা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সারাদিন অনলাইনে থাকার কারণে অনেকের মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় করোনার পরিস্থিতিতে আত্মহত্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। মনোবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এ সমস্যার সমাধান এক দিনে সম্ভব নয়,এটি এক ধরনের সামাজিক প্রক্রিয়া। মানসিক অবস্থা উন্নয়নের জন্য ঘুরতে যেতে হবে, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, সামাজিক কাজে নিজেদের নিযুক্ত করতে হবে যাতে করে মানসিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।