ক্ষুব্ধ মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা

ডিবিবি

ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২১ | আপডেট: ৬:৫২:অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২১ |

মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের নামে ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কলেজের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার মাতৃভাষা ডিগ্রী কলেজের অফিস সহকারী রেজাউল ইসলাম নান্নু। যার দুর্নীতি ও অপকর্মে অতিষ্ঠ কলেজের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন কৌশলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নেন টাকা। এমনকি উপবৃত্তি ও বৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকবার শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করতেও চেয়েছিল কিন্তু শিক্ষকদের বাঁধা প্রদানে বেঁচে যায় নান্নু।

জানা গেছে, তার এ কাজে দিক নির্দেশনা এবং সহযোগিতা করতেন সাবেক অধ্যক্ষ অলিউর রহমান। যিনি কলেজের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করে কোটিপতি বনে গেছেন। সম্প্রতি তার এই কৃতকর্মের জন্য তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়েছে তদন্ত কমিটি।

কলেজটিতে বর্তমানে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক কামরুল ইসলাম। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর নান্নু বুঝতে পেরেছন তারও শেষ রক্ষা হবে না, তাই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শুরু করেছে নানা ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে বেছে নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে।

গত ১৯ শে জুলাই ২০২১ নান্নুর বরাত দিয়ে গত ২০ বছর আগে ২০০১ সালে নাকি বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করা হয়েছিল এমন একটি নাটক সাজিয়েছেন সাংবাদিকদের মাধ্যমে। নিউজে বলা হয়েছে বর্তমান অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম ২০০১ সালে বিএনপি সরকার বিজয়ী হওয়ার পর তিনি অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে পিয়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি নামাতে বলেন এবং তা মেঝেতে ফেলে দেন। পাশাপাশি জামাত-শিবিরের ট্যাগ লাগানো হয়েছে তার সাথে। বর্তমান সময়ে যে কথা বললে পাবলিক বেশি খায় এবং যে ব্যবসাটি জমজমাট সেটিই ইনিয়ে বিনিয়ে লিখেছে সাংবাদিকদের একটি সিন্ডিকেট। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অফিস সহকারী নান্নু নিজে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং দুর্নীতিবাজ সাবেক অধ্যক্ষ অলিউর রহমান স্বপদে ফিরে আসার জন্য নান্নুর মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থ সাংবাদিকদের দিয়ে এই কাজ করিয়েছে সাবেক অধ্যক্ষ।

বর্তমান অধ্যক্ষ কামরুল ইসলামকে নিয়ে মিথ্যা সাংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ঐ কলেজের বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। সাংবাদিকদের ঐ সিন্ডিকেট নিজেদের টাইমলাইনে নিউজ শেয়ার দেয়ার সাথে সাথে কমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষোভ জানান। শিক্ষার্থীদের কমেন্টগুলো হুবহু নিচে তুলে ধরা হল।

রাবেয়া আক্তার ইমা লিখেছেন, আমাদের কলেজের সব শিক্ষকরাই যথেষ্ট ভালো মানুষ। আর কামরুল স্যার একজন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তার বিরুদ্ধে এমন রিপোর্ট একদমই বেমানান।