চবি ছাত্র মামুনের উচ্চ শিক্ষায় সাফল্য

ডিবিবি ডিবিবি

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ | আপডেট: ১:০২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ |

মহেশখালীর মেধাবী ছাত্র। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি চীন সরকারের সর্বোচ্চ সম্মানীত স্কলারশীপ CAS-TWAS President’s Fellowship নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রী পি.এইচ.ডি. তে মনোনীত হয়েছেন। তিনি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ঝাপুয়া উত্তর সরদার ঘোনা গ্রামের বিশিষ্ট বব্যসায়ী আলী হোছাইন ও মনোয়ারা বেগমের ২য় সন্তান।

তিনি ২০০৬ সালে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি ও ২০০৮ সালে হাজেরা তজু ডিগ্রী কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে এইচ.এস.সি পাস করেন। ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান ইউনিস্টিটিউট থেকে বি.এস.সি অনার্স ইন মেরিন সায়েন্স এবং ২০১৬ সালে একই ইউনিস্টিটিউট থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। সৃজনশীল কাজকর্ম ও গবেষণায় গভীর আগ্রহের ফলস্রুতে ২০১৬ সালে চীন সরকারের অধীনে মাস্টর্স স্কলারশীপে (Chinese Scholarship Council, CSC) ভুষিত হন। ২০১৯ সালে কৃতিত্বের সাথে মাস্টাস সম্পন্ন করেন।

উল্লেখ্য , Ocean University of China তে অধ্যায়ন কালে মামুনের গবেষনাকর্ম ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন জার্নালে প্রকাশনার জন্য সার্টিফিকেট অব অনার অর্জন করেন যা ইউনিস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস তথা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়র পরিবারের জন্য একটি গর্বের বিষয়। শুধুতাই নয়, তিনিই প্রথম ইউনিস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস শিক্ষার্থী যিনি CAS-TWAS President’s Fellowship মনোনীত হয়ে দক্ষিন এশিয়ার খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব চায়নীজ একাড়েমী অব সায়েন্সেস (UCAS) এ পি.এইচ.ডি. করার সুযোগ পেয়েছেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যলয় জীবনের শুরু থেকে তিনি গবেষনায় আকৃষ্ট ছিলেন, যদিও গবেষনার শুরুতে ২০১০-২০১১ পর্যন্ত তিনি সহযোগী অধ্যাপক আয়েশা আক্তারের অধীনে ফিশফিড নিওট্টিশন ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে গবেষনা সরকারি হিসেবে কর্মরত থাকলেও বিশ্বব্যাপিয়া জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানব জীবনে এর প্রভাব তাকে চরমভাবে আকৃষ্ট করে। যার কারনে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মহেশখালীর কোহেলিয়া চ্যানেলে অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক আয়েশা আক্তার (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়র) ও সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুহেনা মুস্তাফা কামাল (ইউনিভার্সিটি অব পুতরা মালেশিয়া) অধীনে জলজ জীববৈচিত্র্যের উপর গবেষনা করেন। যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তাহার গবেষনার উল্লখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে জলজ জীববৈচিত্র হ্রাস পাওয়ার কারন লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বর্তমানে তিনি খাদ্য শৃংখলের উপর মানবসৃষ্ট ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব এবং এর ফলে মানবজীবনের ভবিষ্যতের প্রভাব ও করনীয় বিষয় নিয়ে গবেষনা শুরু করতে যাচ্ছেন। তিনি যাতে সুষ্ঠভাবে উচ্চতর শিক্ষা সম্পন্ন করে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন সেজন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।