দেশের শিক্ষা-গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়

মো. রাকিবুল হাসান

গবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২১ | আপডেট: ৫:০৮:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২১ |

২৪তম বর্ষে পদার্পণ করেছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি)। বুধবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী, শুভান্যুধায়ীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ডা. লায়লা পারভীন বানু এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে গ্রামীণ সমাজের চাহিদা, সামাজিক বিকাশ ও মানবকল্যাণের লক্ষ্যে উচ্চমানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি, দূরদর্শী নেতা ও আলোকিত নাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে গণ বিশ্ববিদ্যালয়।

আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই ক্ষণে আমি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী, শুভান্যুধায়ীকে অভিনন্দন ও শুভেচছা জানাচ্ছি। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এর ট্রাস্টি বোর্ড, সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল সহ বিভিন্ন পর্যায়ে যেসমস্ত গূণীব্যক্তিবর্গ অবৈতনিকভাবে তাঁদের শ্রম, মেধা দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। বর্তমান করোনাকালীন পরিস্থিতির মধ্যেও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রম সচল রয়েছে, এজন্য আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, গণ বিশ্ববিদ্যালয় এদেশের উচ্চশিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার প্রকৃত কেন্দ্র হিসেবে অচিরেই প্রতিষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম আরেক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত প্রথার বিপরীতে সমাজের অনগ্রসর অংশ, গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী, পিছিয়ে পড়া আদিবাসী, নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে উচ্চ শিক্ষার মূল স্রোতে নিয়ে আসতে গণ বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে বিগত দুই যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ ১৪ জুলাই গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন ও শুভেচছা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সামর্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি নির্ধারিত। ফলে, জাতি গঠনে সরকারের যে বিশাল কর্মজজ্ঞ, গণ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁরই সহযোগী। আশাকরি, আমাদের সকলের নিরলস প্রচেষ্টায় দক্ষ ও যোগ্য মানবিক নাগরিক তৈরিতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

রেজিস্ট্রার ড. এস. তাসাদ্দেক আহমেদ শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক চ্যারিটেবল ট্রাস্টের আওতায় ১৯৯৮ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করে গণ বিশ্ববিদ্যালয়।

শুরু থেকেই শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ নয় বরং সমাজের চাহিদা অনুযায়ী যোগ্য মানব সম্পদ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যাঁরা শ্রম, মেধা দিয়ে বিভিন্নভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়েছেন, তাঁদের সকলকে জানাই কৃতজ্ঞতা। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ যারা- বর্তমান সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, এলামনাই, সাবেক শিক্ষার্থী সকলকে জানাচ্ছি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা।

তিনি বলেন, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অচিরেই গণ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষা- গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে এবং সুনাম ও ভাবমূর্তি সমুন্নত রেখে এগিয়ে যাবে, সেই প্রত্যাশা করি।