ফোরাত নদী ও কেয়ামতের সম্পর্ক

জোবায়ের সাকিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২১ | আপডেট: ২:৪৬:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২১ |

ইমাম মাহদী (আঃ) এর আগমনের পূর্বে ফোরাত নদীর তীরে স্বর্নের পাহাড় ভেসে ওঠা কেয়ামতের অন্যতম একটি আলামত। ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার সাথে স্বর্নের পাহাড় ভেসে ওঠার সম্পর্ক রয়েছে। গত কয়েক দশক থেকেই ফুরাতের পানি শুকিয়ে যাচ্ছে আশংকাজনক ভাবে। পৃথিবীর মানুষের মধ্যে ধন-সম্পদের লোভ ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ ধর্মকর্ম ছেড়ে দুনিয়া নিয়ে মেতে ওঠেছে। আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের পূর্বে এই ফোরাত নদীর তীরেই সেই লোভনীয় স্বর্নের পাহাড় ওঠাবেন, কিন্তু কেউই সেখান থেকে লাভবান হবে না।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন,” অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত স্বর্নের ভান্ডার উন্মুক্ত করে দেবে। সে সময় যে এখানে উপস্থিত থাকবে সে যেন তার থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।”(সহীহ বুখারী)

অন্য আরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন,” সেই পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত ফোরাত থেকে স্বর্নের পাহাড় বের হবে। তার জন্য মানুষ যুদ্ধ করবে এবং প্রতি একশো জনে নিরানব্বই জন মানুষই মারা যাবে। যেই রক্ষা পাবে প্রত্যেকই মনে করবে, বোধহয় একা আমিই জীবিত আছি।”(সহিহ মুসলিম)

বর্তমানে ফোরাত নদীর পানি অনেক কমে গেছে। ধারণা করা হয়, খুব শীগ্রই অবশিষ্ট পানিও শুকিয়ে যাবে। ফোরাত নদীর সাথে ইসলামের সম্পর্ক অনেক গভীরের। ইসলামিক স্কলারা বলছে,অচিরেই দুনিয়ায় ইমাম মাহদীর আবির্ভাব হবে এবং তার পরেই ফোরাত নদী থেকে স্বর্নের ভান্ডার উন্মুক্ত হবে। এরপর, একের পর এক কেয়ামতের বড় বড় আলামত প্রকাশিত হতে থাকবে। সমসাময়িক বিষয় বিশ্লেষণ এবং ইসলাম চর্চাই রাসুলুল্লাহ (স.) এর করা ভবিষ্যতে বাণী প্রমাণ করবে।