ভোগান্তির যেনো শেষ নেই সৌদি প্রবাসীদের

ডিবিবি

ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২০ | আপডেট: ১২:৫০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২০ |

করোনার কারনে দেশে এসে আটকা পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভোগান্তির যেনো শেষ নেই। গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হলেও ফিরতি টিকিটের ক্ষেত্রে কয়েক দিন আগে টোকেন দেয়া ছাড়াও কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ঢাকায় টিকিটের জন্য এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকেই।

শনিবার(৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ানবাজারের সৌদি এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ের সামনে টিকিটপ্রত্যাশীদের দীর্ঘ জটলা দেখা গেছে। তাদেরই টিকিট দেয়া হচ্ছে যাদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ রয়েছে।

আগেরদিন শুক্রবার ছুটির দিনেও মতিঝিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বুকিং কাউন্টার এবং কারওয়ানবাজারে সৌদি এয়ারলাইন্সের বুকিং কাউন্টারের বাইরে কয়েকশ’ যাত্রীর ভিড় দেখা গেছে। তবে গত সপ্তাহের মতো এদিন কোনো মিছিল-হট্টগোল হয়নি।

একই শর্তপূরণকারীদের শুক্রবার টিকিট দিয়েছে মতিঝিলের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বুকিং কার্যালয়। গত ৫ থেকে ৮ এপ্রিলের ফিরতি টিকিটধারীদের টিকিট রি-ইস্যু করা হয়েছে। তবে যাদের ভিসার মেয়দ শেষ, কফিলের কাছ থেকে ছুটিও বাড়াতে পারেননি, তারা টোকেন থাকলেও টিকিট পাননি। আগের দিনগুলোর তুলনায় শুক্রবার কারওয়ানবাজার ও মতিঝিলে ভিড় কম থাকলেও ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না সৌদি প্রবাসীদের। তবে ছিল না বিক্ষোভ, হট্টগোল।

কারওয়ানবাজারে সোনারগাঁও হোটেলের ফটকের পাশে টাঙানো নোটিশে সৌদি এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত টোকেন দেয়া হবে। টোকেনের জন্য শুক্রবার দুপুরেই প্রায় ৫০ জন প্রবাসী কর্মী লাইন ধরেন। তারা নিজেরাই কলমে লিখে সিরিয়াল নম্বর ঠিক করেন।

তবে যারা এখনও ছুটি বাড়াতে পারেননি, তারা কাজ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। তাদের টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও এ আশঙ্কা থেকে তারাও ভিড় করছেন এয়ারলাইন্স কার্যালয়ে। বিমান কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শুধু টোকেনধারীদের পুলিশি তল্লাশির পর প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের পালা করে কাউন্টারে ভিসা, আকামা ও ছুটির মেয়াদ যাচাই-বাছাই করে দেয়া হচ্ছে টিকিট।

তবে টোকেন ছাড়াই অনেকেই লাইন ধরেন। তাদের একজন নরসিংদীর বেলাবর মো. রাজিব। তিনি জানান, তার ছুটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ভিসা ও আকামার মেয়াদও শেষ। আকামা নবায়ন এবং ছুটির মেয়াদ (এপিট রি-এন্ট্রি) বাড়াতে নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে নিয়োগকর্তা এর জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেছেন।