২০ বছরে কোনো উন্নতিই হয়নি : মুমিনুল

ডিবিবি

ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ | আপডেট: ৮:৩৭:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ |

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল যেন মাঝি ছাড়া নৌকা। উদ্দেশ্যহীনভাবে চলাই যেন বাংলাদেশ দলের নিয়তি। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টিতে যেমন-তেমন, টেস্টে এলেই কূলকিনারা খুঁজে পায় না টাইগাররা। অথচ ২০২০ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট ক্রিকেটে টাইগারদের ২০ বছর পূরণ হয়েছে। পা দিয়েছে একুশে। কিন্তু প্রাপ্তি খুঁজতে গেলে পাওয়া যাবে শুধুই হাহাকার।

এখনও পর্যন্ত সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশ খেলেছে ১২১টি ম্যাচ। যেখানে জয় মাত্র ১৪টি। ২০১৬-১৭ সালের দিকে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ইতিবাচক কিছুর ইঙ্গিত দিলেও, গত দুই-আড়াই বছরে আবারও লেজেগোবরে অবস্থা টাইগারদের।

এসময় ঘরের মাঠে আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের কাছেও ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো তারা। যেখানে প্রথম ম্যাচে ৩৯৫ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েও জিততে পারেনি এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ২৩১ রানের লক্ষ্য নিজেরা তাড়া করতে পারেনি। দুইবার দুই দিকের ব্যর্থতায় হারতে হয়েছে ম্যাচ।

তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন এসে যায়, ২০ বছর ধরে টেস্ট খেলে বাংলাদেশ দলের প্রাপ্তি আসলে কী? এতদিনের অভিজ্ঞতা থাকা দলটির উন্নতিই বা হলো কোথায়? এর উত্তর দিয়েছেন টেস্ট দলের বর্তমান অধিনায়ক মুমিনুল হক।

রোববার হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর তিনি ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে, সোজাসুজিই মেনে নিয়েছেন, ২০ বছরে আসলে কোনো উন্নতিই হয়নি বাংলাদেশের। তবে মৃত্যুর আগপর্যন্ত উন্নতির সুযোগ থাকে বলে মনে করেন মুমিনুল।

সিরিজে দ্বিতীয়বারের মতো পরাজিত অধিনায়ক হিসেবে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘আসলেই! ২০ বছর হয়ে গেছে। এখনও উন্নতি… আমার মনে হয়, ওইভাবে কোনো উন্নতিই হয়নি। আর উন্নতির শেষ নেই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সুযোগ থাকে। আমরা যতদিন খেলব, যতদিন বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করব, ততদিন উন্নতি করতে হবে।’

উন্নতি হয়নি বিধায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে জেতা যায়নি, হারাতে হয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মূল্যবান ১২০টি পয়েন্ট। যে কারণে এখনও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্টের খাতাটা শূন্য পড়ে আছে বাংলাদেশের। সামনে শ্রীলঙ্কা সিরিজ। সেখানে কী হবে? কিছু কি বদলাবে? কীভাবেই বা বদলাবে?

মুমিনুলের উত্তর, ‘ব্যাটসম্যানদের বড় ইনিংস খেলার অভ্যাস গড়তে হবে। লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটাই। ব্যাটসম্যানরা যদি তিন-চার সেশন ব্যাটিং করতে পারে, তাহলে টেস্টে দলের জন্য সহজ হবে।’