dark_mode
Thursday, 27 January 2022
Logo

বরিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

বরিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে কুবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বরিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের আয়োজন করেছে বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্ট'স এ্যাসোসিয়েশন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সাবেক সভাপতি-সম্পাদক এবং বর্তমান সভাপতি মো. রাইসুল ইসলাম রাসেল সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে মোমবাতি দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কন এবং এক মিনিটের নিরবতা কর্মসূচি পালন করেন। এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বরিশালকে মুক্ত করার পেছনে অবদান রাখা শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান তানিম তার বক্তব্যে বলেন 'আজ ০৮ ই ডিসেম্বর আমাদের বৃহত্তর বরিশাল মুক্ত দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনে বরিশালের বিভিন্ন জায়গা হানাদার মুক্ত হয়েছে। আজকের এই দিনের জন্য অনেক মা বোন তাদের সম্ভ্রম হারিয়েছেন এবং ত্রিশ লাখ শহীদ তাদের রক্তের বিনিময়ে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল ভূখণ্ড দিয়ে গেছেন ।'

 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এইদিনে দখলদার পাক বাহিনী অগ্রসরমান মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়ে বরিশাল শহর থেকে ডেরা গুঁটিয়ে পালিয়ে যায়। মুক্ত হয় বরিশাল।

Share this news

Print this news

  • comment / reply_from

    face comment

    উপাচার্যের পদ থেকে প্রত্যাহার হচ্ছেন শাবিপ্রবির ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

    ডিবিবি

    সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে প্রত্যাহার হতে যাচ্ছেন শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এরফলে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একদফা দাবি।

     

    সরকারের সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কোনো নাটকীয় মোড় না আসলে আগামী সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারি করে শাবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে। শাবিপ্রবি থেকেই কোনো শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এজন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

     

    ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শাবিপ্রবির আন্দোলন পরিস্থিতি ও সার্বিক বিষয় নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা গোপন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে ঘটনার নানা দিক উঠে এসেছে। এই প্রতিবেদন নীতিনির্ধারণী দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের একটিতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিরুৎসাহিত করা দরকার। এছাড়া শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যের জায়গায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অথবা সিলেটের কোনো উপযুক্ত শিক্ষককে মনোনীত করা যেতে পারে।

     

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে জানান, শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যকে সরিয়ে দেয়ার কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন উপাচার্য হিসেবে শাবিপ্রবির দু’জন শিক্ষকের নাম আলোচনায় আছে। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস ও বর্তমান কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ারুল ইসলাম।

     

    এদিকে গণমাধ্যমের হাতে আসা গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়, শাবিপ্রবিতে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতির ছায়া রয়েছে। সিলেটের বাসিন্দা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের সঙ্গে বর্তমান উপাচার্যের সখ্য আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডারসহ অন্যান্য কার্যক্রমে তাকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন উপাচার্য। তবে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঙ্গে ভিসির দূরত্ব রয়েছে।

     

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শাবিপ্রবির বর্তমান আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ছাত্র অধিকার পরিষদ ও বাম সংগঠনগুলো নানাভাবে উস্কানি-মদদ দিয়ে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে একে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপতৎপরতা রয়েছে।

     

    সরকারের কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে আগামীতে শিক্ষার্থীদের যে কোনো যৌক্তিক আন্দোলনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এতে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং সেল গঠন করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা নিয়ে শুরুতেই আলোচনা করে তা সমাধান করা সম্ভব। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় নিজস্ব আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। ছাত্র কল্যাণ, শিক্ষকদের সমস্যা, হলের আবাসিক সুযোগ-সুবিধাসহ প্রক্টরিয়াল বডির কার্যক্রম তদারকির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটখাটো সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় সামান্য আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে।

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম বিএলসি

    ডিবিবি

    কোভিড-১৯ মহামারী বর্তমানে যেকোনো দেশের অগ্রযাত্রায় সবচেয়ে বড় বাধা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কভিড-১৯ এর ভয়াবহতার সবচেয়ে সম্মুখীন খাতগুলোর একটি শিক্ষা। কভিড-১৯ এর বিভিন্ন ধরনের ভয়াবহতার কারণে দীর্ঘদিন বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো এবং ওমিক্রনের ভয়াবহতা শুরু হওয়ার পর আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য বিকল্প চেষ্টা করা হচ্ছে। অনলাইন নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দ্রুত এগিয়ে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান যা দূরশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত ও সুন্দরভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তা হল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। আর দূরশিক্ষণ এর ক্ষেত্রে ডিআইইউ বর্তমানে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে নিজস্ব লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস) এবং ব্লেন্ডেড লার্নিং সেন্টার (বিএলসি)।

     

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ব্লেন্ডেড লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে পাঠদান লকডাউনের প্রথমদিন থেকেই শুরু করে এবং বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়েও তা চলমান আছে। এই লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে পাঠদান মূলত ড্যাফোডিলে অনেক পুরনো। ২০১৩ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি নিজস্ব এই প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম শুরু করে। তাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে।

     

    বিএলসি হল ডিআইইউ-এর ডিজিটাল শিক্ষাদান ও পাঠদান কেন্দ্র যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে সংযুক্ত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ট্র্যাক করা হয়। ডিআইইউ এর এই প্ল্যাটফর্মটি অটোমেশন,ডিজিটাল শিক্ষাদান এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনায়
    কার্যকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সমস্ত প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম একটি ডিজিটাল অবকাঠামো, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এছাড়াও দূরবর্তী অবস্থানে অবস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কম দামে ডেটা প্যাকেজ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ফোন এবং রবির সাথে সহযোগিতায় কাজ করেছে ডিআইউ।

     

    বিএলসি এর একটি সুগঠিত ও শক্তিশালী ই-লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে এবং এটি কোর্স তৈরি, সংগঠিত, যোগাযোগ এবং পরিচালনা করার জন্য একটি ওয়ান স্টপ সমাধান। শক্তিশালী প্লাগইন এবং ইন্টিগ্রেশন সহ শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিএলসি ব্যবহার এবং পরিচালনা করা খুবই সহজ। কোর্সের উপকরণ, নতুন পাঠের ভিডিও, অডিও, পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড, ড্রাইভ রিসোর্স, ডেস্কটপ থেকে যেকোনো ফাইল এবং এমনকি ইন্টারেক্টিভ সামগ্রী যোগ করা বা তৈরি করা
    যায় এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সুবিধাজনকভাবে। প্ল্যাটফর্মটিতে পঁচিশটিরও বেশি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শিক্ষকদের তাদের শিক্ষার্থীদের একাধিক উপায়ে পাঠদানে জড়িত করতে সহায়তা করে। এই প্ল্যাটফর্মের কুইজ, অ্যাসাইনমেন্ট, ফোরাম এবং অনলাইন কর্মশালা
    শিক্ষার্থীদের কৌতূহল জাগিয়ে তোলে এবং কোর্সে আরও বেশি অংশগ্রহণে উদ্ভুদ্ধ করে।

     

    বিএলসি প্ল্যাটফর্মে সমস্ত মূল্যায়নের ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি উচ্চ কাস্টমাইজযোগ্য গ্রেড বইতে জমা হয় যা শিক্ষকদের একটি ওভারভিউ দেয় যে প্রতিটি শিক্ষার্থী কোর্সে কীভাবে পারফর্ম করছে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময় তাদের রেকর্ড দেখতে পারে, যাতে তারা পরবর্তী মূল্যায়নের জন্য পরিকল্পনা করতে এবং আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারে। সংক্ষেপে, প্ল্যাটফর্মটি ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ের জন্য স্বচ্ছতা এবং সততা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিভাগও এই রেকর্ডগুলি ট্র্যাক এবং পরীক্ষা করতে পারে যা তাদের পরীক্ষার গুণমান এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করতে দেয়ব।

     

    তাছাড়া, বিএলসি প্ল্যাটফর্মের তিনটি পৃথক ড্যাশবোর্ড সহ নিজস্ব বিশ্লেষণ টুল রয়েছে যথা: শিক্ষক ড্যাশবোর্ড, স্টুডেন্ট ড্যাশবোর্ড এবং অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড। এটির সাহায্যে, শিক্ষকরা একটি একক ড্যাশবোর্ড থেকে তাদের শিক্ষার্থীদের এবং তাদের কোর্সের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করতে পারেন ও কয়েকটি ক্লিকে তাদের কোর্সের একটি বিশদ প্রতিবেদন পেতে পারেন। একইভাবে, শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন কোর্স থেকে তাদের বর্তমান কর্মক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারে যাতে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে এবং সংগঠিত হতে পারে বা তাদের শিক্ষকদের সাহায্য নিতে পারে। অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড ইউনিভার্সিটি ম্যানেজমেন্টকে প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা এবং ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে জানাউ এবং রিপোর্ট করতে দেয় যাতে তারা শিক্ষক ও ছাত্রদের সাফল্য নিশ্চিত করতে পারে।

     

    বিএলসি এর মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষাদানের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো ইউটিউব, গুগল, গুগল ড্রাইভ এর মতো একাধিক উৎস থেকে ভিডিও সহ ক্লাসগুলিকে সহজেই দেখা যায় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কোর্স তৈরি করতে শিক্ষকরা বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া ফাইল, ছবি, পিডিএফ, ডক্স, এক্সেল শীট ইত্যাদি আপলোড করতে পারেন। শিক্ষকরা কোর্সে তাদের কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের কাস্টম ব্যাজ বরাদ্দ করতে পারেন। আর শিক্ষার্থীরা সাধারণত এই ব্যাজগুলি অর্জনের জন্য কোর্সের ক্রিয়াকলাপগুলিতে নিজেকে নিযুক্ত করা খুব উৎসাহজনক বলে মনে করে৷ শিক্ষার্থীরা আলোচনা ফোরামে অবাধে যোগাযোগ করতে পারে, যেখানে তারা মন্তব্য করতে পারে এবং শিক্ষকদের কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে, শিক্ষার্থীরা তাদের অধ্যয়নের কোর্সগুলি পর্যালোচনা করতে, রেটও দিতে পারে।

     

    উল্লেখ্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি তার শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ক্রমাগত উৎকর্ষ সাধন করছে। এমনকি এই মহামারী পরিস্থিতিতেও এটি স্বাভাবিক গতিতে চলছে। বাংলাদেশ তার সব নিয়মিত কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাতের সম্মুখীন হচ্ছে কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে। অনেক শিক্ষার্থী অদূর ভবিষ্যতে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে। কিন্তু এই সংকটের মধ্যেও ড্যাফোডিল এগিয়ে থাকার পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে তাদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে।

    শাবি ভিসির প্রতিকৃতিতে রাবি শিক্ষার্থীদের জুতা নিক্ষেপ

    আসিক আদনান

    শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন এর অপসারণ দাবি করে তার প্রতীকী কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা পড়িয়ে ক্যাম্পাস প্রদিক্ষণ করিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।  ২৬ জানুয়ারী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস প্রদিক্ষণ করে পরিবহন চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয় তাদের কর্মসূচি। 
     
     
    এ সময় রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, "শিক্ষকতা একটা সম্মানজনক পেশা। উপাচার্য পদটা আরও বেশি সম্মানজনক। তিনি হলো পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিভাবক। কিন্তু শাবিপ্রবির উপাচার্যের কার্যকলাপ দেখে বুঝার উপায় নাই যে এটা একটা সম্মানজনক পদ। শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে দাবি জানালে তিনি তাদের উপর পুলিশ লেলিয়ে দেন। পুলিশ শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক ভাবে হামলা করে। এর প্রতিবাদে সারাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিবেকবান নাগরিকরা তার পদত্যাগ দাবি করলেও তিনি নির্লজ্জভাবে সে পদ আঁকড়ে ধরে আছেন। আমরা মনে করি তিনি সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। তাই আমরা প্রতীকী অর্থে জুতোর মালা পড়িয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করিয়ে সেটা ফুটিয়ে তুলেছি।"
     
     
    ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন বলেন, বিগত কয়েক দিন ধরে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করছে, আমরা মনে করি এ আন্দোলন শতভাগ ন্যায্য। কিন্তু আমরা দেখছি শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ আপাময় জনসাধারণ যেখানে এই ভিসির পদত্যাগ চায়, সেখানে তিনি সবার মত উপেক্ষা করে চেয়ার আকঁড়ে ধরে আছেন। একজন ভিসি কতটা সেচ্ছাচারী হয়ে উঠলে শুধু একটা পদ আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে মৃত্যুর মুখে টেলে দিতে পারেন। আমরা অবিলম্বে সে বেহায়া উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করছি।
     
     
    এসময় আরও বক্তব্য দেন নাগরিক ছাত্র ঐক্যের রাবি শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মীর আলহাজ্ব হোসেন প্রমুখ।

    ধাপে ধাপে বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

    ডিবিবি

    করোনা সংকটে প্রায় দেড় বছর বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শ্রেণি ও বোর্ড পরীক্ষায় নেমে এসেছিল স্থবিরতা। ঘরবন্দি শিক্ষার্থীরা নির্ভর হয়ে পড়েছিল অনলাইন ক্লাসে। বিগত বছরের শেষে খুলতে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শুরু হয় সশরীরে ক্লাস।

     

    কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে ফের এলোমেলো হতে শুরু করেছে সবকিছু। করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ও দৈনিক শনাক্ত-মৃত্যু ফের বাড়তে থাকায় আপাতত ৬ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে যখন আবার স্বাভাবিকতার দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সে সময় ফের ধাক্কা খেয়ে ঘোর সংকটে শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগের মতো এবারো ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারণ করা হবে ছুটি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে।

     

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে আমরা অনলাইন ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হচ্ছে। ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট শুরু করতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। শিগগির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এর আওতায় আনা হবে। অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

     

    তিনি বলেন, অ্যাসাইনমেন্ট ও অনলাইন ক্লাসের জন্য আগের চেয়ে শিক্ষকদের অনেক বেশি বেল্ডেন্ডার এডুকেশনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। যত দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা যায় সে চেষ্টা আমাদের আছে। যতক্ষণ তা না করা যায় ততক্ষণ অনলাইন কার্যক্রমের উপর নির্ভর করতে হবে।

     

    জানা যায়, দেশে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘরবন্দি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে নিতে সরকার সংসদ টিভি, রেডিও এবং অনলাইনে শিক্ষকদের পাঠদান সম্প্রচার করলেও দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এর আওতায় আসেনি। ঢাকা মহানগরের কিছু শিক্ষার্থী পেয়েছে এ সুবিধা।

    শাবিতে হামলার প্রতিবাদে রাবির শিক্ষক নেটওয়ার্কের অবস্থান কর্মসূচি

    আসিক আদনান

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

     

    মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

     

    বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের এ অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন রাবি শাখা চাত্র ইউনিয়ন,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফন্ট, ছাত্র ফেডারেশন,ছাত্র অধিকার পরিষদ,বিপ্লবী ছাত্র মেত্রীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

     

    রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তরের সঞ্চালনায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শাবি উপাচার্যের পদত্যাগই আন্দোলন থামানোর একটা নির্বিকল্প পথ। তাছাড়া এই আন্দোলন থামানো যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে বন্ধ করে বা অবমূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের অপমানজনক জীবনের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

     

    তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকে তারা এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে সারা দেশের এবং বিভিন্ন সংগনের সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের এই পুরো ব্যাপার টা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও সরকারের বিরুদ্ধে চলে গেছে যা যাওয়ার কথা ছিল না।এটা সরকারের ও প্রশাসনের ব্যর্থতা যে তারা এটা বুঝতে পারে নি। শিক্ষার্থীদের অনশন ১৪০ ঘন্টা পার হলেও শিক্ষার্থীদের খোঁজ না নিয়ে। তৃতীয় পক্ষকে খোঁজা হচ্ছে, কে ইন্ধন দিচ্ছে, কোথা থেকে টাকা আসছে সেটার একটা ফানি গেইম খেলার চেষ্টা করছে সরকার বলে জানান তিনি। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্র শিক্ষকদের সম্পর্কের যে ম্যুরাল আছে সেটা রক্ষা করার কথাও বলেন।

     

    অবস্থান কর্মসূচিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, আমাদের লজ্জা লাগে, আমরা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পার করেছি। এমন সময়ে এসেও শিক্ষার্থীরা শোষিত, লাঞ্চিত এবং হামলার শিকার হচ্ছে। শাবিপ্রবিতে অহিংস ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানো হলো, মারপিট করা হলো। ছাত্ররা সেখানে গিয়েছিল প্রভোস্টকে পদত্যাগ করানোর জন্য। কিন্তু সেটি এখন ভিসি পদত্যাগ আন্দোলনে রুপান্তরিত হয়েছে। কেনো এই আন্দোলনে রুপান্তরিত হলো সেই প্রশ্নটি জানা খুবই দরকার।

     

    তিনি বলেন,আমাদের ত্রিশজন শিক্ষার্থী সেখানে মৃত্যুর সাথে লড়ছে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভিসির বিরুদ্ধে কথা বলছে। বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না থাকলে শিক্ষকের কোন মূল্য থাকে না। শুধু ভিসির পদত্যাগেই এটার সমাধান হবে কিনা জানিনা। কিন্তু এটার সমাধান করা জরুরী। বারবার এই ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

     

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড সালেহ হাসান নকিব, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফন্টের আহ্বায়ক হ্রদম শাহারিয়ার, ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন, ছাত্র অধিকার পরিষদের আমানুল্লাহ আমান, বিপ্লবী ছাত্র মেত্রী রনজু হাসান প্রমুখ।

    অনির্দিষ্টকালের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন জোড়া ট্রেন বন্ধ

    ডিবিবি

    অনির্দিষ্টকালের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তিন জোড়া ট্রেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্রু সংকটের কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলাচল করা তিন জোড়া শাটল ট্রেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে অন্য চার জোড়া ট্রেন ও ডেমো ট্রেন স্বাভাবিক চলাচল করবে।

    বুধবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।

    তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত জোড়া ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু ক্রু সংকটের কারণে আজ থেকে তিন জোড়া ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। বাকি চার জোড়া ট্রেন ও শাটল ট্রেন চলাচল করবে। তবে কতদিন বন্ধ থাকবে তা বলা যাচ্ছে না। 

    রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ডিভিশনাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (ডিএমই লোকো) মো. ওয়াহিদুর রহমান সিআরবির কন্ট্রোলার অফিসে আদেশ পাঠান। ডিএমই লোকো দপ্তর থেকে পাঠানো আদেশের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ক্রু স্বল্পতার কারণে ২৬ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৩১/১৩২, ১৩৫/১৩৮ ও ১৪১/১৪২ নম্বরধারী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। এই তিন জোড়া ট্রেন চবিতে চলাচল করে। তবে অন্য তিন জোড়া শাটল ১৩৩/৩৪, ১৩৯/৪০, ১৪৩/৪৪ এবং এক জোড়া ডেমো ট্রেন চলাচল করবে। 

    উল্লেখ্য, মাইলেজ ইস্যুতে প্রায় এক বছর ধরে আন্দোলন করছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি। সম্প্রতি তারা ঘোষণা দেন, বেতন-ভাতা আগের নিয়মে বহাল না রাখলে ৮ ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব পালন করবেন না। তারপর থেকে ট্রেন চালকের সংকট দেখা দেয়। এরই অংশ হিসেবে রেলওয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান বলেন, এতোদিন রেলের জনবল সংকটের কারণে আমরা অতিরিক্ত সময় ডিউটি করেছি। আমরা আগে বিশ্রাম না নিয়ে অতিরিক্ত সময় ডিউটি করলে সুযোগ-সুবিধা পেতাম। কিন্তু সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন দিয়েছে। যাতে করে আমরা সেই সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সুযোগ সুবিধা থাকার কারণে বিশ্রাম না নিয়ে আমরা চাকরি করতাম। কিন্তু আমাদের মাইলেজ সুবিধা কমিয়ে আনা হয়েছে। আমরা এক বছর ধরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে আমাদের বিভিন্ন দাবি দিয়েছি। ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আমাদের দাবি না মানলে ৩১ তারিখ থেকে রানিং স্টাফরা কর্মবিরতিতে যাবে।

    রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রেলের পরিবহন বিভাগের রানিং স্টাফদের মধ্যে রয়েছে লোকো মাস্টার (এলএম), সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম), সাব-লোকোমাস্টার বা সান্টিং লোকোমাস্টার (এসএলএম), ক্যারেজ অ্যাটেনডেন্ট, গার্ড, টিকিট ট্রেকার (টিটি)। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রজ্ঞাপনে ক্যারেজ অ্যাটেনডেন্টদেরও মাইলেজ সুবিধায় আনা হয়েছে। 

    রেলওয়ে সূত্র জানায়, একজন রানিং স্টাফ তার নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকায় প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা এবং নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকার বাইরে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা কাজ করার নিয়ম রয়েছে। তবে রেলের স্বার্থে কোনো রানিং স্টাফকে কাজে যুক্ত করা হলে বোনাস মাইলেজ সুবিধায় দেওয়ারও নিয়ম আছে। রেলওয়েতে তীব্র লোকবল সংকট থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে রানিং স্টাফদের বিশ্রামকালীন সময়েও কাজ করতে হচ্ছে। 

    রানিং স্টাফরা এভাবে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে কাজ করে প্রতি মাসেই বিপুল পরিমাণ মাইলেজ জমা করেন তাদের অ্যাকাউন্টে। রেলওয়ে আইনে এ সুবিধাকে ‘পার্ট অব পে’ হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়। তবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে মাইলেজকে নির্দিষ্ট করে দেওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে রেলকর্মীরা।

     

    ৭ দিন পর অনশন ভাঙলেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

    ডিবিবি

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অনশন ভেঙেছেন। বুধবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল পানি খাইয়ে তাদের অনশন ভাঙান। টানা সাতদিন ধরে অনশন করছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

     

    এর আগে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে ক্যাম্পাসে আসেন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক।

     

    বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে ড. জাফর ইকবাল দম্পতি ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছান।

     

    ক্যাম্পাসে এসে তারা শিক্ষার্থীদের বলেন, আজ উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আমার বাসায় আলোচনা হয়েছে। তারা বাসায় এসেছিল। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তোমরা যা চাইছো, যে দাবি তোমাদের, সেটা পূরণ হবে। তোমাদের ওসিলায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঠিক হবে।

     

    গত ১৩ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট বডির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও সামনে আসে আন্দোলনে।

     

    গত ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

     

    পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এরপর থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে টানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

     

    এর অংশ হিসেবে গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) অনশন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

    রাবি জাতীয়বাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি এফ নজরুল ইসলাম, সম্পাদক মুক্তা

    আসিক আদনান

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ২০২২ সেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদুল হাসান খান মুক্তা।

     

    ফোরামের বাকি সদস্যদের মধ্যে নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল হোসেন, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভেজ আজহারুল হক ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবিরুজ্জামান সুজা।

     

    কোষাধ্যক্ষ পদে পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. নুরুল হক মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আইসিই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহিম (সাজিদ), যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক পদে গণিত বিভাগের ড. হারুন অর রশীদ, প্রচার সম্পাদক পদে ভেটেরিনারি বিভাগের ড. কামরুজ্জামান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক পদে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নুরুল মোমেন, যুগ্ম তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক-শরিফুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

     

    এছাড়া সদস্য পদে চার জন, এছাড়া ১০ টি অনুষদ ও ১ টি ইনস্টিটিউটে ১১ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনে ভোটগ্রহণ চলে। পরে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। 

    related_post

    newsletter

    newsletter_description